ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম - উপকারিতা ও অপকারিতা

ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম - উপকারিতা ও অপকারিতাভিটামিন ডি যুক্ত খাবারের তালিকা আপনি কি প্রতিদিন ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খান?  তাহলে আপনাকে অবশ্যই মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম জেনে রাখতে হবে। মিল্ক শেক খুবই প্রোটিন,মিনারেল এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ একটি জলীয় খাবার। এটি আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কিন্তু এর উপকারিতার পাশাপাশি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা অপকারিতাও রয়েছে।
ওয়েট-গেইন-মিল্ক-শেক-খাওয়ার-নিয়ম
ওয়েট-গেইন-মিল্ক-শেক-খাওয়ার-নিয়ম । ছবি-এআই 
ওয়েট গেইন মিল্ক শেক অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ভিটামিন ও পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার। মিল্ক শেক যেমন শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি এবং ভিটামিনের অভাব পূরণ করে শরীরের সচেতনতা বৃদ্ধি করে, ঠিক তেমনি এর অনির্ধারিত মাত্রায় সেবন আপনার ক্ষতি করতেও পারে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ওজন বেড়ে যাওয়ার মত জটিল সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই আপনার ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম অবশ্যই জেনে রাখা উচিত।

ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম

পৃথিবীতে সকল কিছু জিনিসেরই কিছু না কিছু নিয়ম নীতি থাকে;  সেটা হতে পারে পোশাক, খাবার বা অন্য কিছুর ব্যবহার। কেননা এর সঠিক নিয়ম বা ব্যবহার না করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। এমনকি এর জন্য চরম মূল্য দিতে হতে পারে, যা কখনোই শোধরানোর নয়। তাই ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খেয়ে উপকৃত হওয়ার চেয়ে আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতেও পারে। সেই জন্য ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম জেনে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তো চলুন বন্ধুরা মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম জেনে নেই।
মিল্ক-শেক-খাওয়ার-নিয়ম
মিল্ক-খাওয়ার-নিয়ম

মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম

সাধারণত প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে ভরা পেটে অথবা খাওয়ার ২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে এক চামচ মিল্ক শেক ভালোভাবে মিশিয়ে পান করুন। আপনি একান্তই দুধ না পেলে হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন।

অবশ্য আপনি খুব সহজে ঘরে বসেই বিভিন্ন স্বাদের পানীয় উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমে এই মিল্ক শেক তৈরি করে নিতে পারবেন। তাহলে চলুন এবার আমরা জেনে নেই - কিভাবে ঘরে বসে সহজেই এবং বিভিন্ন উপাদান দিয়ে মিল্ক শেক তৈরি করে ফেলা যায়।

চকলেট মিল্ক শেক

মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম যদি চকলেট মিল্ক শেক বানিয়ে খাওয়া হয় তাহলে এটি বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়। তার কারণ হলো বাচ্চাদের সব সময় সব থেকে বেশি সকল খাবার পাওয়া যাবে সেদিকে তাদের আগ্রহ অনেকটাই বেশি থাকে। আর আপনি যদি চকলেট মিল্ক শেক পছন্দ করে থাকেন তাহলে তো কোন কথাই নেই। আর আপনি চাইলে এই মজাদার চকলেট মিল্ক শেক ঘরে বসে তৈরি করে নিতে পারবেন। তাহলে চলুন কিভাবে চকলেট মিল্ক শেক তৈরি করবেন তার উপকরণ ও পদ্ধতি গুলো জেনে নিই।

চকলেট মিল্ক শেক তৈরি পদ্ধতি

  • দুই কাপ পরিমাণ মতো দুধ নিন
  • ক্যারামেল আইসক্রিম এর ক্রিম নিন
  • একটি পাকা কলা নিন
  • তিন চা চামচ পরিমাণ আপনার ইচ্ছামত ফ্লেভার বা ভ্যানিলা ফ্লেভার নিন।
  • সবশেষে যেকোনো লিকুইড এর দুই চা চামচ পরিমাণ চকলেট নিন।
উপরে উল্লেখিত উপকরণ গুলো সংগ্রহ করা হয়ে গেলে সবগুলো উপকরণ একসাথে ব্লেন্ডার দিয়ে হালকা পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যাস! এভাবেই তৈরি হয়ে গেল আপনার কাঙ্খিত স্বাদের চকলেট মিল্ক শেক। এই মিল্ক শেক স্বাদ যে একবার নেবে তার আর অন্য কোন পানীয়'র প্রতি আকর্ষণ হবে না বলে বিশ্বাস!

স্ট্রবেরি মিল্ক শেক

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশেও এখন এই স্ট্রবেরি অনেকটাই সহজলভ্য হয়ে গেছে। আর এই সহজলভ্যতার দরুণ স্ট্রবেরি ব্যবহার করে আপনি তৈরি করে নিতে পারবেন আপনার জন্য অধিক পুষ্টি উপাদানের মিল্ক শেক। তো চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে স্ট্রবেরি মিল্ক তৈরি করা যায়।

স্ট্রবেরি মিল্ক শেক তৈরি পদ্ধতি

  • প্রথমে তিন কাপ দুধ নিতে হবে
  • এক কাপ আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ফ্লেভারের আইসক্রিম নিতে হবে
  • এক চা চামচ পরিমাণ স্ট্রবেরি ফ্লেভার নিতে হবে
  • দুই কাপ পরিমাণ স্ট্রবেরি কিউপ করে নিতে হবে।
উপরের এই সকল উপকরণগুলো একসাথে নিয়ে ব্লেন্ডার দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। আর এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে আপনার অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন স্ট্রবেরি মিল্ক শেক। এই শেকটি আপনি প্রতিদিন সকালে পান করতে পারেন। তবে এটা কিভাবে পরিবেশন করে আপনি খাবেন সেটি নিতান্তই আপনার ওপর নির্ভর করে।
এইভাবে আপনি খেজুরের মিল্ক শেক বানিয়েও খেতে পারেন।

মিল্ক শেক এর উপকারিতা

বর্তমান সময়ে যেখানে অনেকেই অতিরিক্ত স্থূলতার কারণে শরীরের ওজন কমানোর জন্য উদগীব হয়ে আছেন সেখানে এমন অনেকেই রয়েছেন যারা আবার ওজন বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন। তবে আপনারা এটা জেনে অবাক হবেন যে, শরীরের ওজন কমানো যেমন কষ্টসাধ্য ঠিক ওজন বৃদ্ধি করাও অনেকটাই কষ্টকর। আর এই ওজন বৃদ্ধি করার জন্য প্রতিদিন আপনাকে রুটিন অনুসরণ করে ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খেতে হবে। অর্থাৎ আপনি যদি মিল্ক শেক এর উপকারিতা পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম গুলো মেনে চলতে হবে। তাহলে চলুন মিল্ক শেক এর উপকারিতা গুলো বিস্তারিত জেনে নেই।
  • উপকারী মিনারেল, ভিটামিন এবং প্রোটিন সরবরাহ করে।
  • সহজেই তৈরি করা যায় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ।
  • মুখের রুচি বৃদ্ধি করে।
  • শরীরের যাবতীয় পুষ্টি ও ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে।
  • শারীরিক দুর্বলতা দূর করে।
  • স্বাস্থ্যবান/ স্বাস্থ্যবতী করে তোলে।
  • শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তিশালী করে।
  • ভালো ঘুমের সহায়ক।
  • শরীরের গঠন চমৎকার করে।
  • শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
  • রক্ত পরিষ্কার রাখে।
  • ওজন ও স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করে।
  • এক মাসে ৩ থেকে ৪ কেজি ওজন বাড়ানো সম্ভব।
  • সুস্বাস্থ্য গঠনে সহায়তা করে।
  • ফাইবারের সহায়তায় হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
  • হাড়ের ক্ষয় রোধ করে।
  • অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

মিল্ক শেক এর অপকারিতা | মিল্ক শেক খেলে কি ক্ষতি হয় | মিল্ক শেক এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

ওয়েট গেইন মিল্ক শেক এর অপকারিতা/ মিল্ক শেক খেলে কি ক্ষতি হয়/  মিল্ক শেক এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুলো নিচে জানানো হলো।
মনে রাখবেন, যে জিনিসটা যত ভালো সেটা যে কোন সময় ততটাই খারাপ রূপ নিতে পারে। তাই ওয়েট গেইন মিল্ক শেক এর অভাবনীয় উপকারিতার মধ্যেও এর কিছু অপকারিতা, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা ক্ষতিকর দিক আছে, যেগুলো আপনার জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরী।

সাধারণ প্রাকৃতিক সকল উপাদানেই মানুষের দৈহিক বা শারীরিক উপকার হয়ে থাকে। তবে তার সাথে যে সেগুলোর অপব্যবহারে ক্ষতি হবে সেটাও বলতে বাধা রাখে না। তাই ওপরের নিয়ম মেনে ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খেতে হবে যা আমরা মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়মে বলেছি।

ওয়েট গেইন মিল্ক শেক মানুষের শরীরের জন্য বেশ উপকারী হলেও এর কিছু পার্শপ্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। কিছু কিছু উপাদান বিশেষ মানব দেহের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে এই ওয়েট গেইন মিল্ক শেক। তার মধ্যে অন্যতম হলো ডায়াবেটিস রোগী।

ডায়াবেটিস রোগী

আপনার যদি ডায়াবেটিস রোগ থাকে তাহলে ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খেতে চাইলেও ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না, যেহেতু এতে চিনির ব্যবহার রয়েছে। কেননা এতে চিনির ব্যবহার এবং অন্যান্য শক্তিশালী পুষ্টিগুণ ব্যবহার করার কারণে আপনার শরীরের ক্ষতি হতে পারে। এতে আপনার ডায়াবেটিস রোগ আরো বেড়ে যেতে পারে। তাই আপনি ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম মেনে খেতে পারেন।

উচ্চ রক্তচাপ রোগী

আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের রোগের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে মিল্ক শেক সাবধানতার সাথে খেতে পারেন। এজন্য আপনাকে একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। কেননা এতে উচ্চমান প্রোটিন, চিনি, মিনারেল ও ভিটামিন ব্যবহার করা হয়েছে। এতে আপনার উচ্চ রক্তচাপ আরও বেড়ে যেতে পারে এবং আপনার মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়তে পারে।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা

আপনার যদি গ্যাস এসিডিটির সমস্যা থাকে তাহলে এটি সাবধানতার সাথে খেতে হবে। কারণ দুধ খাওয়ার কারণে অনেকেরই গ্যাসের খুব সমস্যা করে থাকে। সেজন্য গ্যাসের ওষুধ আপনি ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার আগেই খেয়ে নিতে পারেন। আর গ্যাসের ঘরোয়া চিকিৎসা করে আপনি আপনার গ্যাস এসিডিটির সমস্যা কমাতে পারেন। তাই আপনি ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম মেনে খেতে পারেন।

এলার্জির সমস্যা

দুধের প্রোটিনের কারণে এবং অন্যান্য ভিটামিন-মিনারেলের কারণে অনেকেরই এলার্জির সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই আগে থেকেই যাদের এলার্জির সমস্যা রয়েছে তারা ভেবে চিন্তে আপনি ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম মেনে খেতে পারেন।

অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি

যেহেতু ওয়েট গেইন মিল্ক শেক উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত একটি খাবার। সেহেতু উচ্চ ক্যালোরি গ্রহণের ফলে আপনার ওজন অতিরিক্ত বৃদ্ধি হতে পারে। তাই ওয়েট গেইন মিল্ক শেক অতিরিক্ত না খেয়ে পরিমাণ মতো নিয়ম করে খেতে পারেন।

শারীরিক অস্বস্তি ও মাথা ঘোরা

ওয়েট গেইন মিল্ক শেক এ অন্যান্য উপাদানের সাথে দুধ এবং চিনি ব্যবহার করার কারণে অনেকেই শারীরিক অসুস্থতা ও মাথা ঘোরা রোগে ভুগতে পারেন। কেননা এতে বিদ্যমান দুধ কিছু কিছু মানুষের গ্যাস বা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। আবার চিনির কারণে রক্তে গ্লুকোজের হঠাৎ বৃদ্ধি এবং পরে কমে যাওয়ার ফলে অনেক সময় মাথা ঘোরাতে পারে। তাই আপনার এ সকল সমস্যা থাকলে আপনি সাবধানের সহিত ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খেতে পারেন।
ওয়েট-গেইন-মিল্ক-শেক
ওয়েট-গেইন-মিল্ক-শেক। ছবি- সংগৃহীত 

ওয়েট গেইন মিল্ক শেকের দাম কত

ওয়েট গেইন মিল্ক শেক অনেক প্রকারের হয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হল চকলেট মিল্ক শেক, বাদাম মিল্ক শেক, স্ট্রবেরি মিল্ক শেক ইত্যাদি। আর এখন বাজারের সকল দোকানগুলোতে মিল্ক শেক কেজি হিসেবে অথবা লিটার হিসেবে পাওয়া যায়। আপনি যদি চান তাহলে আপনি ১০০ গ্রাম থেকে শুরু করে এক হাজার গ্রাম অর্থাৎ ১ কেজি পর্যন্ত কিনতে পারবেন। এখন দোকানে বিভিন্ন হাতে গোনা কয়েকটা বড় দোকান রয়েছে যেগুলোতে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। তাই ওজনের তারতম্যের কারণে দামেরও তারতম্য কিছুটা রয়েছে আপনাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সাধারণত এক কেজি ওয়েট গেইন মিল্ক শেকের দাম ৪০০ টাকা থেকে ৮২০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অবশ্য আপনি ২২০ মিলি, ৩৫০ মিলি, ১০০ গ্রাম ইত্যাদি ওজনের কিনতে পারেন যেগুলো তুলনামূলক কম দাম। যেগুলোর দাম যথাক্রমে ৩৫ টাকা, ৭০০ টাকা, ১৮০ টাকা।

সর্বশেষ কথা - ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম 

আমাদের স্বাস্থ্য বিধি ঠিক রাখার জন্য আমাদেরকে প্রতিদিন নিয়মিত ভালো মানের পানীয় খাওয়া উচিত। কিন্তু মজার বিষয় হল বর্তমান সময়ে মানুষ স্বাস্থ্য বিষয়ে অনেক সচেতন। তাই তারা পানীয় এর পরিবর্তে দুধ, ফলের জুস, মিল্ক শেক ইত্যাদি খেতে বেশি পছন্দ করে। আবার অনেকে আছে যারা দুধের পরিবর্তে বিভিন্ন রকম ফ্রুটস জুস খেয়ে থাকে। তাই ওয়েট গেইন মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম মেনে যদি সঠিকভাবে মিল্ক শেক খাওয়া হয় তাহলে অবশ্যই আপনার স্বাস্থ্যের অনেক উন্নতি হবে। এছাড়াও আপনি মিল্ক শেকের পাশাপাশি অনেকগুলো ফলমূল দিয়ে ফলের জুস তৈরি করেও খেতে পারেন সেটিও আপনার শরীরের জন্য বেশ উপকারী হবে। আশা করি আজকের তথ্য সমৃদ্ধ লেখাটি আপনার ভালো লেগেছে। লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url