হোস্টিং কি? হোস্টিং কিভাবে কিনবো | Best Hosting Ki 2026

হোস্টিং কি, Hosting ki, হোস্টিং কত প্রকার কি কি, ওয়েবসাইটের জন্য কোন হোস্টিং ভালো হবে, কেন ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করতে হয়, কেন পেইড হোস্টিং সবচেয়ে ভালো এবং হোস্টিং কিভাবে কিনবো ইত্যাদি সম্পর্কে আপনি কি জানতে আগ্রহী?

বর্তমান সময়ে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকাটা অনেক বড় ব্যাপার। তাই আপনি যদি আপনার নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরির কথা ভেবে থাকেন তাহলে সবার আগে হোস্টিং কি এ ব্যাপারে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে।

এই দুনিয়ায় প্রত্যেকটি মানুষের যেমন থাকার একটি জায়গা দরকার হয় ঠিক তেমনি ইন্টারনেট জগতে আপনার একটি ওয়েবসাইটকে বিশেষভাবে রাখার জন্য একটি জায়গার প্রয়োজন অবশ্যই হবে। তাই আপনি যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট, ব্লগ বা অ্যাপ ইন্টারনেটে চালু করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে একটি হোস্টিং ম্যানেজ করতে হবে।

অবশ্য এই হোস্টিং প্ল্যানটা আপনি ফ্রি এবং পেইড – দুই ভাবেই পাবেন। কিন্তু পেইড হোস্টিং সবচেয়ে ভালো। তাই চলুন প্রথমে জেনে নেওয়া যাক হোস্টিং কি? (Hosting ki?) এবং হোস্টিং কত প্রকার।

হোস্টিং কি? (What is hosting?)

হোস্টিং কি? (Hosting ki?) হোস্টিং (Hosting) হলো আপনার ওয়েবসাইট রাখার জায়গা বা স্পেস যেখান থেকে সেই ওয়েবসাইট ইন্টারনেট দুনিয়াতে চালু করতে ব্যবহৃত হয়। আর এই হোস্টিং জায়গাটি বিশ্বের অনেক ধনী দেশগুলোর নামি দামি কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি বর্তমানে অনেক দেশীয় কোম্পানিও বিক্রি করে থাকে।

যারা হোস্টিং বিক্রি করে তাদেরকে হোস্টিং প্রোভাইডার (Hosting Provider) বলে থাকে, যেমন Hostinger, Namecheap ইত্যাদি। তবে বিদেশি কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি আমাদের দেশেও অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার ডোমেইন এবং হোস্টিং বিক্রি করে থাকে, যেমন পুতুল হোস্ট (Putul Host)।

আমরা সেই হোস্টিং প্রোভাইডার থেকেই হোস্টিং কিনে থাকি এবং ইন্টারনেটে ওয়েব সার্ভারে (Web server) আমাদের কিছু জায়গা নির্দিষ্ট করে দেওয়া থাকে। ওয়েব সার্ভার হলো এক ধরনের সুরক্ষিত কম্পিউটার যা সব সময় বা সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে অনলাইনে জড়িত থাকে।

এই ওয়েব সার্ভারে কিনে নেওয়া জায়গা হোস্টিং এ আমরা যখন আমাদের ওয়েবসাইট এর অডিও, ভিডিও, ফাইল, ইমেজ, আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করি তখন সেগুলো সেই ওয়েব সার্ভারে জমা হতে থাকে।

অবশ্য এই ওয়েবসাইট সব সময় ইন্টারনেটের সাথে জড়িতে থাকার জন্য আমাদের ওয়েবসাইট থেকেও ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার বা মোবাইল এক্সেস (Access) করতে পারে। কিন্তু এর সাথে আমাদের একটি ডোমেইন (Domain) নাম কিনে নিতে হয় যা আমাদের ওয়েব সার্ভারের সাথে কানেক্ট করতে হয়।

ডোমেইন কি? – সে সম্পর্কে আমরা এর আগের পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, আপনি সেখান থেকে ডোমেইন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

আরো পড়ুন: ডোমেইন কি? ডোমেইন কত প্রকার ও কি কাজে লাগে?

আশা করি, হোস্টিং কি বা হোস্টিং কাকে বলে? – সে সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। হোস্টিং হলো এমন একটি স্পেস বা জায়গা যেটি আপনাকে অবশ্যই হোস্টিং প্রোভাইডার থেকে টাকা দিয়ে কিনে নিতে হবে যা আপনার নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগকে ইন্টারনেটে সক্রিয় রাখতে অনবরত সহায়তা করবে।

তবে আপনি চাইলে আপনার লোকাল কম্পিউটারে স্টোর করে বা হোস্টিং বানিয়ে আপনার ওয়েবসাইট লাইভ করতে পারেন। কিন্তু আপনার লোকাল কম্পিউটার সব সময় অন করে ইন্টারনেটে সংযোগ দিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

হোস্টিং কত প্রকার ও কি কি? (What are the different types of hosting?)

হোস্টিং কি? (Hosting ki?) সে সম্পর্কে জানার পর এখন আমরা জানবো হোস্টিং কত প্রকার এবং কি কি? সাধারণত ওয়েবসাইটের প্রয়োজনীয়তা, এর স্পিড (Speed), সিকিউরিটির (Security) ওপর নির্ভর করে কয়েক ধরনের হোস্টিং আমরা ব্যবহার করে থাকি।

ওয়েবসাইট বা ব্লগে ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে হোস্টিং সাধারণত ৫ (পাঁচ) প্রকার হয়ে থাকে। যেগুলোর প্রত্যেকটির আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে সর্বাধিক ব্যবহৃত ৫ (পাঁচ) প্রকার হোস্টিং এর তালিকা উল্লেখ করা হলো।

ক্রমিক নংহোস্টিং নাম (Hosting Name)হোস্টিং নাম (ইংরেজি) – Hosting Name
১শেয়ারড হোস্টিংShared Hosting
২ভিপিএস সার্ভার/হোস্টিংVPS (Virtual Private Service) Server/Hosting
৩ডেডিকেটেড সার্ভারDedicated Server
৪রেসেলার হোস্টিংReseller Hosting
৫ক্লাউড হোস্টিংCloud Hosting

হোস্টিং কত প্রকার ও কি কি জানার পর এবার চলুন হোস্টিং গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

১। শেয়ারড হোস্টিং কি? – What is Shared Hosting?

শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting) হলো ওয়েব হোস্টিংকে শেয়ার করা। অর্থাৎ একটি ওয়েব সার্ভার (Web Server) যখন অনেকগুলো ওয়েবসাইটকে শেয়ার (Share) দেয় তখন তাকে শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting) বলা যেতে পারে।

ধরুন, আপনার একটি বড় ঘর রয়েছে। সেখানে আপনিসহ আপনার ফ্যামিলি মেম্বাররা সবাই একসাথে শেয়ার করে বা ভাগ করে থাকছেন। এখানে আপনার বড় ঘরটিকে একটি ওয়েব সার্ভার (Web Server) মনে করুন এবং আপনিসহ আপনার ফ্যামিলি সদস্যরা যারা ঘরটি ভাগ করে থাকছেন তারা হলো প্রত্যেকেই এক একটি ওয়েবসাইট (Website)।

এতে আপনার যেমন লাভ তেমনি আপনার সাথে যারা ফ্যামিলির সদস্যরা শেয়ার করে থাকছেন তাদেরও লাভ। আপনারা সবাই মিলে মিশে একসাথে ঘর ভাড়া খুব সহজেই দিতে পারবেন। এতে আপনার টাকা খরচ অনেক কম হবে।

হোস্টিং কিভাবে কিনবো
হোস্টিং কিভাবে কিনবো

শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting) এর ক্ষেত্রে একটি ওয়েব সার্ভারে একসাথে অনেকগুলো ওয়েবসাইট শেয়ার করতে পারে এবং যার ফলে প্রত্যেকের অনেক কম টাকা খরচ হবে।

আপনারা শেয়ার হোস্টিং অনেক কম টাকায় কিনতে পারবেন। একসাথে একাধিক ইউজার ব্যবহার করায় শেয়ার্ড হোস্টিং এর দাম অনেক কম হয়।

বিশেষ করে যারা নতুন ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করেন তারা প্রায় সবাই টাকা খরচ কমাতে শেয়ারড হোস্টিং ব্যবহার করে থাকেন। শেয়ারড হোস্টিং এর লাভ নিচে উল্লেখ করা হলো।

শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting) এর লাভ

ক্রমিক নংশেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting)শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting) এর লাভ
১নতুনদের জন্যনতুন ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য সেরা হোস্টিং।
২খরচ কমঅনেক কম দামে এই হোস্টিং পাওয়া যায়।
৩কম দামে প্যাকেজশেয়ার হোস্টিং এর দাম বাংলাদেশি টাকায় মোটামুটি ১২০-২০০ টাকার মধ্যে মাসিক প্যাকেজ পাওয়া যায়।
৪বড় বড় কোম্পানির অফারতাছাড়া অনেক সময় বড় বড় কোম্পানিগুলো সম্পূর্ণ ফ্রিতে শেয়ারড হোস্টিং দিয়ে থাকে।

২। ভিপিএস সার্ভার/হোস্টিং কি? – What is VPS (Virtual Private Service) Server/Hosting?

ভিপিএস সার্ভার/হোস্টিং হলো একটি ওয়েবসাইট যখন একটি প্রাইভেট ওয়েব সার্ভারে যুক্ত থাকে। এই হোস্টিং অনেকটা প্রাইভেট ওয়েব সার্ভার এর মত কাজ করে, যার কারণে এই হোস্টিং গুলো অনেক দ্রুত কাজ করে এবং ট্রাফিক বা ভিজিটররা থাকার জন্য বেশ লাভজনক বলে মনে করা হয়।

ধরুন, আপনার একটি বিল্ডিংয়ে অনেকগুলো রুম বা ঘর রয়েছে। ঠিক সেভাবেই এই ধরনের হোস্টিং সার্ভারগুলো ভাগ ভাগ করে রাখা হয়। যেখানে আপনার কিনে নেওয়া রুমে শুধু আপনার ঠিক সেভাবে VPS সার্ভারে শুধুমাত্র আপনার ওয়েবসাইটের অধিকার থাকবে। VPS হোস্টিং গুলো শেয়ার হোস্টিং এর তুলনায় অনেক গুণে ভালো।

আরো পড়ুন: বিকাশ কাস্টমার কেয়ার নাম্বার ২০২৬ | দেখুন কোথায় কোথায় আছে

আসলে আমরা এই সার্ভারগুলো তখনই ব্যবহার করি যখন আমাদের ওয়েবসাইটগুলোতে বেশি পরিমাণে ট্রাফিক বা ভিজিটররা আসে। একটি ওয়েবসাইট যখন অনেক পপুলার বা জনপ্রিয় হয়ে যায় তখন এই ভিপিএস (VPS) হোস্টিং গুলো ব্যবহার করা হয়।

ভিপিএস সার্ভার/হোস্টিং (VPS Server) এর লাভ

ক্রমিক নংভিপিএস সার্ভার/হোস্টিং (VPS Server)ভিপিএস সার্ভার/হোস্টিং (VPS Server) এর লাভ
১সিকিউরিটিসিকিউরিটি (Security) হিসেবে ভিপিএস সার্ভার/হোস্টিং
২ক্ষমতাএই হোস্টিংয়ের কাজ করার ক্ষমতা অনেক তাড়াতাড়ি হয়।
৩সক্ষমতাশেয়ার হোস্টিং থেকে এই হোস্টিং অনেক বেশি ট্রাফিক বা ভিজিটর হ্যান্ডেল করতে সক্ষম।
৪খরচশেয়ার হোস্টিং থেকে এর দাম তুলনামূলক একটু বেশি। মাসিক প্রায় ১ হাজার টাকায় প্যাকেজে পাওয়া যায়।

৩। ডেডিকেটেড সার্ভার কি? – What is Dedicated Server?

ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting) হলো যে হোস্টিং এ কেবলমাত্র একটি ওয়েবসাইট হোস্ট করা থাকে। একটা পুরো ওয়েব সার্ভার যখন অন্য কারো সাথে শেয়ার না করে বরং একাই ব্যবহার করা হয় তখন তাকে ডেডিকেটেড সার্ভার/হোস্টিং বলা হয়।

অর্থাৎ একটি পুরো ওয়েব সার্ভার কে যখন শুধুমাত্র একজন ইউজার একটি ওয়েবসাইটের জন্য হোস্টিং হিসাবে ব্যবহার করে তখন তাকে ডেটিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting) বলে। যেখানে শেয়ার হোস্টিং এ একসাথে অনেকগুলো ওয়েবসাইট শেয়ার করা যায় কিংবা ভিপিএস সার্ভারে একটি ভাগ দিতে হয় সেখানে ডেডিকেটেড হোস্টিংকে কোন শেয়ার বা ভাগ দিতে হয় না।

আপনি যদি ডেডিকেটেড হোস্টিং ব্যবহার করেন তাহলে সম্পূর্ণ সার্ভারটি শুধুমাত্র আপনাকে দেওয়া হবে এবং এটার ভাগ আর কাউকে দিতে হবে না। এ সার্ভারে কেবলমাত্র আপনার ওয়েবসাইটকেই হোস্ট করা হবে। ডেডিকেটেড হোস্টিং গুলো নিরাপত্তার দিক থেকে ১০০% নিরাপদ মনে করা হয়।

ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting) এর লাভ

ক্রমিক নংডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting)ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting) এর লাভ
১নিরাপত্তাডেডিকেটেড হোস্টিং অনেক নিরাপদ।
২সক্ষমতাএই হোস্টিং অনেক সংখ্যক ট্রাফিক বা ভিজিটর হ্যান্ডেল করতে সক্ষম।
৩কার্যক্ষমতাএই হোস্টিং এর কার্যক্ষমতা অন্য হোস্টিংয়ের তুলনায় অনেক গুনে বেশি।
৪দ্রুত কার্যকরওয়েবসাইট বা ব্লগ অনেক দ্রুত বা ফাস্ট কাজ করে।
৫খরচ ব্যয় বহুলঅন্য হোস্টিং এর চেয়ে এর দাম অনেক বেশি।

৪। রিসেলার হোস্টিং কি? – What is Reseller Hosting?

রিসেলার হোস্টিং কি? (Reseller Hosting Ki?) রিসেলার হোস্টিং হলো কোন বড় কোম্পানি থেকে যখন অন্য কোন কোম্পানি বা ব্যক্তি একটি হোস্টিং সার্ভিস কিনে নিয়ে নিজেই প্যাকেজ করে কাস্টমাইজ হোস্টটিং অন্যদের কাছে রিসেল (Resell) করে।

আরো পড়ুন: অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ | Best Online Mobile Loan 2026

রিসেলার হোস্টিং এর দাম সাধারণত কিছুটা কম হয়ে থাকে। অনেক নতুন ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাতে রিসেলার হোস্টিং পছন্দ করে থাকেন।

৫। ক্লাউড হোস্টিং কি? – What is Cloud hosting?

ক্লাউড হোস্টিং (Cloud Hosting) এর সার্ভারে অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার একসাথে রাখা হয়। এজন্য ব্যবহারকারীরা RAM, CUP, Storage প্রয়োজন মত বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারবেন। একটি ওয়েবসাইটে যখন বেশি ভেজিটর আসবে তখন ওয়েবসাইট মালিক নিজেই ওয়েব সার্ভারের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

বর্তমানে এই হোস্টিং ওয়েবসাইট মালিকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং নিরাপদ হোস্টিং সার্ভার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্লাউড হোস্টিং এর কার্যক্ষমতা ও স্পিড অন্যান্য হোস্টিংয়ের তুলনায় অত্যন্ত দ্রুত এবং নিরাপদ। ওয়েবসাইটে যখন বেশি পরিমাণে ভিজিটর বা ট্রাফিক আছেন তখন ওয়েবসাইট মালিক এর কার্য ক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারেন।

আবার ইচ্ছে করলে ওয়েবসাইটের কার্যক্ষমতা কমিয়ে নিতেও পারবেন। তবে মনে রাখা উচিত, ক্লাউড হোস্টিং এ ওয়েবসাইট ডাউন হওয়ার সুযোগ খুব কম থাকে। এই ধরনের হোস্টিং অনেক বেশি পরিমাণে ট্রাফিক একসাথে হ্যান্ডেল করতে পারে। এই হোস্টিং এর দ্রুত কার্যক্ষমতা এবং নিরাপত্তার জন্য ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

ক্লাউড হোস্টিং (Cloud Hosting) এর লাভ

ক্রমিক নংক্লাউড হোস্টিং (Cloud Hosting)ক্লাউড হোস্টিং (Cloud Hosting) এর লাভ
১হোস্টিং সুবিধাক্লাউড হোস্টিং এর কার্যক্ষমতা অনেক বেশি উন্নত, প্রয়োজনমতো তা বাড়িয়ে বা কমিয়ে নেওয়া যায়।
২নিরাপত্তাসার্ভার ডাউন হওয়ার ভয় খুব কম থাকে।
৩ট্রাফিক সক্ষমতাওয়েবসাইট বা ব্লগে অনেক বেশি ভিজিটর বা ট্রাফিক হ্যান্ডেল করতে সক্ষম।
৪মূল্য নির্ভরএখানে হোস্টিং মূল্য ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় RAM, CUP, Storage গুলোর উপর নির্ভর করে।
৫তুলনামূলক দাম কমক্লাউড হোস্টিং এর দাম কার্যক্ষমতা হিসেবে খুব একটা বেশি নয়। মাসে ৫০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকার ভেতরে সম্ভব।

ওয়েবসাইটের জন্য কোন হোস্টিং ভালো হবে?

বন্ধুরা, এতক্ষণ আমরা হোস্টিং কি এবং কত প্রকার কি কি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এবার একটি ওয়েবসাইটের জন্য কোন হোস্টিং ভালো হবে সে সম্পর্কে জেনে নেব। তাহলে চলুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য কোন হোস্টিং ব্যবহার করা ভালো হবে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

আসলে আপনি কোন ধরনের ওয়েবসাইট বানাতে চান তার ওপর নির্ভর করে আপনি কোন হোস্টিং ব্যবহার করবেন। অর্থাৎ আপনি যদি ব্লগিং করার চিন্তা করেন তাহলে আপনাকে প্রথমে শেয়ার হোস্টিং (Share Hosting) দিয়েই শুরু করতে হবে।

তারপর যখন ধীরে ধীরে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর বাড়তে শুরু করবে তখন আপনি ক্লাউড হোস্টিং (Cloud Hosting) ব্যবহার করবেন। কারণ আপনার ওয়েবসাইটে যদি ভিজিটর বেশি পরিমাণে আসতে শুরু করে তাহলে আপনি ক্লাউড হোস্টিং থেকে এর কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

তাছাড়া এ ওয়েবসাইট অনেক দ্রুত লোড হয় এবং নিরাপত্তা দিক থেকেও বেশ নিরাপদ। তারপর আপনার ওয়েবসাইটে যদি অনেক ভিজিটর বা সীমাহীন ভিজিটর আসতে শুরু করে তখন আপনার আই ইনকাম বেশি হবে।

তাই ওয়েবসাইটে চাপ কমানোর জন্য আপনি সবশেষে ডেডিকেটেড হোস্টিং ব্যবহার শুরু করতে পারেন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, ডেডিকেটেড হোস্টিংয়ের খরচ বেশি। তাই আপনার যখন বেশি ইনকাম হবে তখন আপনি ডেডিকেটেড হোস্টিং ব্যবহার শুরু করতে পারেন।

আশা করি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য কোন হোস্টিং ভালো হবে সে সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে এবং বুঝতে পেরেছেন।

কেন ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) ব্যবহার করতে হয়?

হোস্টিং কি, কত প্রকার ও কি কি এবং ওয়েবসাইটের জন্য কোন হোস্টিং ভালো হবে সে সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এবার কেন ওই পোস্টিং ব্যবহার করতে হয় সে সম্পর্কে আলোচনা করব।

দেখুন কোন ওয়েবসাইটকে ভিজিটরদের সামনে নিয়ে আসতে হলে সেই ওয়েবসাইটটি কোন হোস্টিং এ হোস্ট করতে হয়। আপনি যদি আপনার লোকাল কম্পিউটারে ওয়েবসাইটের ফাইলগুলো আপলোড করেন এবং আপনার কম্পিউটার যদি ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয় অথবা কম্পিউটার বন্ধ থাকে।

তাহলে ওয়েব সাইটে ডাউন থাকবে এবং ভিজিটররা সেই ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন না। তাই ওয়েবসাইটের ফাইলগুলো কোন ওয়েব হোস্টিং এ অবশ্যই হোস্ট করে রাখতে হয়। ওয়েব হোস্টিং এর সার্ভারগুলো ২৪ ঘন্টায় অনলাইনে থাকে এবং ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া থাকে। এর ফলে ওয়েবসাইট ডাউন হওয়ার বা বন্ধ হওয়ার ভয় থাকে না।

কোন ডোমেইন হোস্টিং এর সাথে কানেক্ট করে ওয়েবসাইট সর্বদা লাইভ রাখা হয়। নেম সার্ভারের মাধ্যমে কানেক্ট করে রাখতে হয়। ডোমেইন হোস্টিং এর সাথে সংযুক্ত করার পর কেউ ডোমেইনটি ভিজিট করলে ডিএনএস (DNS) সিস্টেমের মাধ্যমে হোস্টিং থেকে ফাইলগুলো এক্সেস করে ওয়েবসাইট ভিজিটরের সামনে দেখানো হয়।

তাই প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটকে অবশ্যই ওয়েব হোস্টিং (Web hosting) ব্যবহার করতে হয়।

কেন পেইড হোস্টিং ভালো? – Why paid hosting is better?

হোস্টিং কেন পেইড হওয়া ভালো সে সম্পর্কে জেনে নেব। হোস্টিং সাধারণত পেইড হয়ে থাকে অর্থাৎ হোস্টিং টাকা দিয়ে (বিভিন্ন মেয়াদে) কিনে নিতে হয়। তবে কিছু কিছু হোস্টিং প্রোভাইডার বা প্রতিষ্ঠান ফ্রি- হোস্টিং অফার করে থাকে যেমন – Pantheon, গুগলের Blogger ইত্যাদি।

ফ্রি হোস্টিং গুলোতে ওয়েবসাইট হোস্ট করা গেলেও এতে বিভিন্ন রকম সমস্যা এবং প্রতিবন্ধকতা লেগেই থাকে। সার্ভার এর প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম পাওয়ারফুল হয় এবং বিভিন্ন রকম টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দেয়।

তাছাড়া ফ্রি হোস্টিং হওয়ার কারণে সময় মত সাপোর্ট পাওয়া যায় না বললেই চলে। তার থেকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আপনার আর্টিকেল বা ডকুমেন্টসগুলো যেকোনো সময় হারিয়ে যেতে পারে। সেখানে আপনার কোন অভিযোগ বা আবদার চলবে না।

আরো পড়ুন: ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কিভাবে শুরু করবেন – Best Digital Marketing 2026

আমার Google এর ব্লগার হোস্টিংয়ে একটি প্রায় ৫০০ আর্টিকেল সহ একটি কেনা ডোমেইন দিয়ে একটি ওয়েবসাইট কানেক্ট করা হয়েছিল। কিন্তু কোন কারণ ছাড়াই বা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আমার সেই ওয়েবসাইটটি লকড (Locked) হয়ে যায়।

বারবার রিকোয়েস্ট করার পরও তা ফেরত দেওয়া হয়নি যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং দুঃখজনক ব্যাপার। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকেই ফ্রি হোস্টিং ব্যবহার করতে কখনোই বলবো না। তাই আপনার কন্টেন্ট ও ওয়েবসাইট বাঁচাতে অবশ্যই পেইড হোস্টিং ব্যবহার করুন।

তাই আমি বাধ্য হয়েই ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে পেইড হোস্টিং কিনে ট্রান্সফার হয়ে গেছি। তাহলে আপনি বুঝতেই পারছেন কেন পেইড হোস্টিং সবচেয়ে ভালো এবং নিরাপদ। নিচের টেবিলে ফ্রি হোস্টিং (Free Hosting) এবং পেইড হোস্টিং (Paid Hosting) এর মূল সুবিধা এবং অসুবিধা গুলো সরাসরি তুলনা আকারে দেওয়া হলো।

ফ্রি হোস্টিং (Free Hosting) এবং পেইড হোস্টিং (Paid Hosting) এর মূল সুবিধা-অসুবিধা তুলনা

হোস্টিং কি (Hosting Ki), হোস্টিং কত প্রকার কি কি, কেন পেড হোস্টিং ভালো, ওয়েবসাইটের জন্য কোন হোস্টিং ভালো সে সম্পর্কে আমরা উপরে আগেই জেনেছি। এবার ফ্রি হোস্টিং এবং পেইড হোস্টিং এর মূল সুবিধা এবং অসুবিধা গুলো কি তার নিচে উল্লেখ করা হলো।

ক্রমিক নংবৈশিষ্ট্যফ্রি হোস্টিং (Free Hosting) পেইড হোস্টিং (Paid Hosting)
১খরচসম্পূর্ণ ফ্রি।মাসিক বা বার্ষিক টাকা/ফি লাগে।
২ডোমেইন নেমসাব-ডোমেইন দেয়।নিজস্ব কাস্টম ডোমেইন ব্যবহার করা যায়।
৩স্টোরেজ ও ব্যান্ডউইথঅত্যন্ত সীমিত।আনলিমিটেড স্টোরেজ ও ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
৪বিজ্ঞাপন বা adহোস্টিং কোম্পানি জোরপূর্ব ক বিজ্ঞাপন দেখায়।কোন অনাকাঙ্ক্ষিত বিজ্ঞাপন থাকে না।
৫কাস্টমার সাপোর্টকোন লাইভ চ্যাট বা কল সাপোর্ট নেই।২৪/৭ যেকোনো সময় ডেডিকেটেড সাপোর্ট পাওয়া যায়।
৬নিরাপত্তা ও ব্যাকআপনিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল, নাই বললেই চলে।উচ্চমানের নিরাপত্তা এবং নিয়মিত অটো ব্যাকআপ সুবিধা থাকে।
৭সাইটের গতি ও আপটাইমস্পিড খুবই ধীরগতির হয় এবং প্রায় সার্ভার ডাউন থাকে।অত্যন্ত দ্রুতগতির এবং ৯৯.৯০% আপটাইম গ্যারান্টি থাকে।
৮যাদের জন্য প্রযোজ্যযারা নতুন শিখছেন বা ছোট ব্লগ প্র্যাকটিস করেন।ব্যবসায়িক সাইট, ই-কমার্স ও প্রফেশনাল ওয়েবসাইটের জন্য।
৯মন্তব্যক্ষতির সম্ভাবনা আছে।ক্ষতির সম্ভাবনা নাই।

হোস্টিং কিভাবে কিনবো? – How do I buy hosting?

হোস্টিং কি এবং কত প্রকার কি কি ইত্যাদি সম্পর্কে আমরা উপরের লেখায় বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এবার কিভাবে হোস্টিং কিনবেন সে সম্পর্কে আলোচনা করব। তাহলে চলুন হোস্টিং কিভাবে কিনবো (How do I buy hosting) সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

যারা আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন মার্কেটে ডোমেইন হোস্টিং বিক্রয় করে থাকে তাদেরকে ডোমেইন-হোস্টিং প্রোভাইডার বলা হয়ে থাকে। তাই একটি নির্ভরযোগ্য হোস্টিং প্রোভাইডার নির্বাচন করে এবং আপনার ওয়েবসাইটের চাহিদা অনুযায়ী প্যাকেজ পছন্দ করে নিয়ে অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে সহজেই ওয়েব হোস্টিং কেনা যায়।

হোস্টিং কেনার ধাপসমূহ স্টেপ বাই স্টেপ নিচে উল্লেখ করা হলো।

হোস্টিং কেনার ধাপসমূহ:

  • প্রথমে একটি ভালো মানের আন্তর্জাতিক বা দেশীয় লোকাল হোস্টিং প্রোভাইডার যেমন Hostinger (হোস্টিংগার), Putul Host (পুতুল হোস্ট) ইত্যাদি নির্বাচন করুন।
  • আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক ও স্টোরেজ অনুযায়ী উপযুক্ত প্ল্যান বা প্যাকেজ ১ জিবি/৫ জিবি/১০ জিবি ইত্যাদি ১ মাস/২ মাস/১ বছর ইত্যাদি মেয়াদ সিলেক্ট করুন।
  • নতুন ডমেইন নাম থ্রি/পেইড সাথে নিন ন অথবা আপনার আগে কেনা ডোমেন নেম কানেক্ট করুন।
  • সবকিছু ঠিকঠাক দেখে কার্ট থেকে চেক আউট করে ইন্টারন্যাশনাল ভিসা কার্ড বা বিকাশ, নগদ এর মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
  • পেমেন্ট সম্পন্ন হয়ে গেলে হোস্টিং প্রোভাইডার কর্তৃপক্ষ আপনাকে একটি ইমেইলের মাধ্যমে তাদের হোস্টিং সি প্যানেল (Hosting cPanel) সংযুক্ত করে দেবেন।

ব্যাস, এভাবেই আপনার হোস্টিং কেনা হয়ে গেল! আশা করি, হোস্টিং কিভাবে কিনবো? – এই প্রশ্নটি আর আপনার মাথায় ঘুরপাক করবে না।

FAQ (প্রশ্নোত্তর) – হোস্টিং কি? হোস্টিং কিভাবে কিনবো | Best Hosting Ki

Q1. হোস্টিং এর দাম কত?

উত্তর: ওয়েব হোস্টিং এর দাম প্রতিমাসে সাধারণত বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২০০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি হতে পারে। তবে হোস্টিংয়ের স্পেস ১ জিবি ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং ১ মাসের জন্য ৩০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

Q2. ডোমেইন এবং হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তর: ডোমেইন হলো আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা এবং হোস্টিং হলো সেই ঠিকানা যে সার্ভারে থাকে। যেমন – ফেইসবুকের ডোমেইন হলো facebook.com এবং হোস্টিং হলো ডোমেইনটি যে সার্ভারে রয়েছে।

Q3. হোস্টিং কেন প্রয়োজন?

উত্তর: একটি ওয়েবসাইটকে অনবরত ২৪ ঘন্টা ইন্টারনেটে সক্রিয় এবং সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার জন্য ওয়েব হোস্টিং বা হোস্টিংয়ের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ ফাইল সংরক্ষণ, ২৪ ঘন্টায় অনলাইনে থাকা, নিরাপত্তা এবং সাইের গতি-ভিজিটর সামলানোর জন্য পোস্টিং প্রয়োজন হয়।

Q4. হোস্ট কি?

উত্তর: হোস্ট হলো এমন একটি কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস যা কোন নেটওয়ার্ক এ যুক্ত থেকে অন্যান্য ডিভাইসকে নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দেয় বা ডাটা আদান-প্রদান করে। অর্থাৎ আমাদের হোস্টিং যেখানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে অনবরত লাইভ থাকে তাকেই হোস্ট বলে।

Q5. পেইড হোস্টিং এর সুবিধা কি?

উত্তর: পেইড হোস্টিং (Paid hosting) বা টাকা দিয়ে কেনা ওয়েব হোস্টিং ব্যবহারের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট অধিক উন্নত গতি, নিরাপত্তা এবং পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা পাওয়া যায়।

সর্বশেষ কথা – হোস্টিং কি? হোস্টিং কিভাবে কিনবো | Best Hosting Ki

প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ আমরা হোস্টিং কি? Hosting ki, হোস্টিং কত প্রকার কি কি, ওয়েবসাইটের জন্য কোন হোস্টিং ভালো হবে, কেন ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করতে হয়, কেন পেইড হোস্টিং সবচেয়ে ভালো এবং হোস্টিং কিভাবে কিনবো ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।

আশা করি লেখাটি মনোযোগ সহকারে পড়েছেন এবং বুঝেছেন। একটি ওয়েবসাইটের জন্য হোস্টিং এবং ডোমেইন – দুটিই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ এই দুটি ডোমেইন হোস্টিং ছাড়া একটি ওয়েবসাইট কল্পনা করা অসম্ভব। একটি ওয়েবসাইট একটি দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল।

আরো পড়ুন: বিকাশ কাস্টমার কেয়ার নাম্বার ২০২৬ | দেখুন কোথায় কোথায় আছে

তাই আপনার ওয়েবসাইটকে চিরদিনের জন্য সুরক্ষিত রাখতে হলে আপনাকে অবশ্যই পেইড হোস্টিং ব্যবহার করতে হবে। আশা করি আজকের হোস্টিং কি? হোস্টিং কিভাবে কিনবো | Best Hosting Ki লেখাটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছে। থাকলে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো যেন উপকৃত হতে পারেন।

আজকের লেখার মধ্যে ভুল ত্রুটি হলে বা কোন কিছু জানার প্রয়োজন হলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আজকের হোস্টিং কি? হোস্টিং কিভাবে কিনবো | Best Hosting Ki লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

লেখক পরিচিতি:

hosting ki

মোহাঃ গোলাম কবির
বি.এস-সি (অনার্স), এম.এস-সি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।
(বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত নিয়মিত ব্লগ লেখক)

আরো পড়ুন: Best 1650+ মেয়েদের ইসলামিক নাম সুন্দর অর্থসহ (সব অক্ষরে)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Ads Blocker Image Powered by Code Help Pro

এড ব্লকার সনাক্ত করা হয়েছে!!!

Please আপনার Ad blocker বন্ধ করুন। আমাদের সাইটের কনটেন্ট ফ্রিতে পড়তে আপনার এড ব্লকারটি বন্ধ করে পেজটি রিফ্রেশ করুন। ধন্যবাদ!

Scroll to Top