মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা (Mohanobi Hazrat Muhammad sm er Jiboni) ২০২৬ সম্পর্কে জানতে আপনি কি আগ্রহী? সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব কোরআনের ভাষায় ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’ আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ। তিনি মহান আল্লাহ প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসূল এবং পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম, শান্তির ধর্ম “ইসলাম ধর্ম” এর প্রচারক ও প্রবর্তক।
Table of Contents
মহান আল্লাহ সুবহানো তায়ালা যাকে সৃষ্টি না করলে এ মহাবিশ্ব ও মানবজাতিকে সৃষ্টি করতেন না, আজ আমরা সেই মহান ব্যক্তিত্ব হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানব ইনশাল্লাহ।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী (Mohanobi Hazrat Muhammad sm er Jiboni) ইসলামের মহান দিশারী, শান্তির পয়গম্বর মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন একাধারে শান্তি, নিরাপত্তা এবং কল্যাণের মূর্ত প্রতীক।
নবী করীম সাঃ কে শান্তি, মুক্তি, প্রগতি ও সামগ্রিক কল্যাণের জন্য বিশ্ববাসীর রহমত হিসেবে আখ্যায়িত করে মহান আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, ‘আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্ব জগতের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি’। (সূরা আল – আম্বিয়া, আয়াত: ১৭ )
মহানী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুসলিম জীবনযাত্রার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর জীবনের মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও মানবিকতার শিক্ষা আজও ইসলামের সমাজের ভিত্তি গঠন করে।

আর তাঁর জীবনাচরণ এবং ইসলামের সুশিক্ষা আজও কোটি কোটি মানুষের জীবনে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত চলতেই থাকবে।
হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জন্ম ও বংশ পরিচয়
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী শিরোনামের লেখাটিতে এবার আমরা তার বংশ পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেব। হযরত মুহাম্মদ সাঃ আল্লাহ প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসূল এবং ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক। তিনি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের (১২ রবিউল আউয়াল) সোমবার জন্মগ্রহণ করেন।
সেই যুগে সমগ্র আরবের ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগে তাঁর জন্ম যেন পুরো আরব বিশ্ব আলোকিত হয়ে উঠলো। তাঁর পিতার নাম আব্দুল্লাহ এবং মাতার নাম বিবি আমেনা। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ তাঁর জন্মের ৬ মাস পূর্বে পিতা আব্দুল্লাহকে হারান এবং মাত্র ৬ বছর বয়সে তাঁর মাতা বিবি আমেনা ইন্তেকাল করেন।
আরো পড়ুন: শ্রেষ্ঠ সাহাবীদের নাম ১০ ও জান্নাতি ২০ সাহাবীর নাম – Best Sahabi
তারপর শিশু হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে তাঁর দাদা আব্দুল মোত্তালিব পরম স্নেহে লালন পালন করে বড় করে তোলেন। কিন্তু মহানবী সাঃ এর মাত্র আট বছর বয়সে তাঁর দাদা আব্দুল মোত্তালিবও মারা যান।
এরপর তাঁর আপন চাচা আবু তালিব মহানবী সাঃ এর লালন পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শৈসব কাল থেকেই মহানবী সাঃ ছিলেন অত্যন্ত সহজ, সরল ও কোমল স্বভাবের অধিকারী। তিনি একাধারে সততা, কর্তব্য নিষ্ঠা, ন্যায় পরায়ণতা, ধর্মবোধ প্রভৃতি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন।
তাঁর বিশ্বস্ততা ও সত্যবাদিতার জন্য শৈশবেই তিনি ‘আলামিন‘ বা ‘বিশ্বাসী‘ উপাধিতে ভূষিত হন এবং সকল ধর্মের লোকের নিকট প্রশংসার পাত্র হয়ে ওঠেন।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর বিবাহ
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা এর জীবনী পর্বে এবার আমরা তাঁর বিবাহ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেব। মহান আল্লাহ তা’য়ালা মানব সমাজের সর্বাঙ্গীন কল্যাণের লক্ষ্যে শান্তির বাহক ও দূত স্বরূপ রাসূলুল্লাহ সাঃ কে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন।
তিনি মানবজাতির প্রতি সত্য প্রচারে নিবিষ্ট হন এবং তাদের সরল, সঠিক ও শান্তির পথে পরিচালিত করেন; যাতে তারা জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে এবং ইহকালীন শান্তি ও পরলৌকিক সৌভাগ্য লাভ করতে সক্ষম হন।
হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর বিশ্বস্ততা, সততা, বিচক্ষণতা ও ন্যায় পরায়নতার কথা শৈশব কালেই সৌরভ এর মত মক্কা নগরীর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। কারণ সেই যুগে ওই অঞ্চলে এ ধরনের অকৃত্রিম চারিত্রিক গুণাবলীর অধিকারী কেউ ছিলেন না।
আরো পড়ুন: Best 1500+ মেয়েদের ইসলামিক নাম সুন্দর অর্থসহ (সব অক্ষরে)
সেই সময় মক্কার ধনবতী বিধবা মহিলা বিবি খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু তাঁর সুখ্যাতি শুনে ও দেখে তাঁকে তাঁর ব্যবসার দায়িত্বভার অর্পণ করেন।
হযরত মুহাম্মদ সাঃ তাঁর বিশ্বস্ততা ও বিচক্ষণতার সহিত উক্ত ব্যবসা পরিচালনা করে বিবি খাদিজার ব্যবসায় সমৃদ্ধি আনয়ন করেন। হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর এমন দক্ষতা, সততা ও অতুলনীয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে মুগ্ধ হয়ে বিবি খাদিজা তাঁকে স্বেচ্ছায় বিবাহের প্রস্তাব দেন।
তখন হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর বয়স ছিল ২৫ বছর আর বিবি খাদিজার বয়স ছিল ৪০ বছর। তারপর তাঁরা উভয়ের সম্মতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনীতে তাঁর বিবাহ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয়ে থাকবে।
হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর নবুওয়্যত প্রাপ্তি
সেই যুগে আরবের অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ ও যুদ্ধাবস্থা ছিল। বিভিন্ন গোত্রে গোত্রে মারামারি, হানাহানি, পারস্পরিক যুদ্ধ-বিগ্রহ ও লড়াইয়ের ফলে প্রতিনিয়ত রক্তাক্ত ছিল তখনকার আরব ভূমি। সেখানে একদিকে ছিল নানা রকম অশিক্ষা ও কুশিক্ষা।
অন্যদিকে ছিল ধর্মের নামে কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, গোঁড়ামি ও অর্থহীন মূর্তি পূজা। কন্যা শিশুদেরকে জীবন্ত পুঁতে ফেলার মত জঘন্য অপরাধ ছিল সেই সময়ের নিত্যদিনের ঘটনা। তাদের বিভিন্ন গোত্রের মূর্তি পূজার নানা স্বতন্ত্র রীতিনীতি ছিল। খোদ মক্কার কাবা ঘরেই ছিল অসংখ্য ছোট-বড় মূর্তি।
আরব জাতির জীবনের বিভিন্ন অনাচার, অবিচার ও অন্ধকার-অমানিশা দেখে হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে বিচলিত করত। তিনি সবসময় এই অবস্থা থেকে মুক্তি জন্য সমাধানের পথ খুঁজতেন।
এই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ তিনি মক্কার অদূরে ‘হেরা’ পর্বতের গুহায় একাগ্র চিত্তে আল্লাহর ধ্যানে আত্মনিয়োগ করেন। সেখানে নিয়ম মাফিক সুদীর্ঘ ১৫ বছর ধ্যানমগ্ন থাকার পর আল্লাহর দূত জিব্রাইল আঃ (ফেরেশতা) ঐশী বাণী নিয়ে তাঁর কাছে আসেন এবং তাঁকে আল্লাহর সর্বপ্রথম বাণী পাঠ করে শোনান –
আরবি: ” ইকরা বিইসমে রাব্বি কাল্লাজি খালাক”
বাংলা অর্থ: “পড়ো! তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন”। (সূরা আলাক)
আরো পড়ুন: দ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম অর্থসহ
এভাবে ওহী নাযিলের মাধ্যমে মহাগ্রন্থ আল কোরআন অবতীর্ণের সূচনা হয় এবং তিনি ৬১০ খ্রিস্টাব্দে নবুওয়্যত প্রাপ্ত হন। তিনি মক্কায় ধর্ম পথভ্রষ্ট লোকদের একেশ্বরবাদ আল্লাহর দিকে আহ্বান করতে শুরু করেন।
কিন্তু তাঁর বার্তা মক্কার বহু বিরোধী লোককে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। আর ইসলাম প্রচার শুরু করতেই মক্কার প্রভাবশালী বিরোধী গোষ্ঠীগুলো তাঁকে এবং তাঁর অনুসারীদের নিপীড়ন-নির্যাতন শুরু করে।
ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসার
হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা প্রসঙ্গে তিনি নবুওয়্যত প্রাপ্তির পর শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রচার ও প্রসার শুরু করেন। ইসলাম ধর্মের সর্বপ্রথম এবং মহিলাদের মধ্যেও প্রথম তাঁর স্ত্রী বিবি খাদিজা রাঃ ঈমান এনে মুসলমান হোন।
তারপর পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন হযরত আবু বকর রাঃ এবং শিশুদের মধ্যে সর্বপ্রথম হযরত আলী রাঃ। এরপর জায়েদ বিন হারেস রাঃ সহ অন্যান্য ভাগ্যবান লোকজন ইসলামের সুশীতল ছায়ায় জড়ো হতে শুরু করলেন।
এভাবে ক্রমেই মক্কায় মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে কুরাইশগণ তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাঁকে হত্যার জন্য নানারকম ষড়যন্ত্র করতে থাকে। কিন্তু তাদের সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে মহান আল্লাহ তা’য়ালার নির্দেশে তিনি মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
আশা করি মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী পড়ে ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রচার সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে পেরেছেন।
মদিনায় হিজরত ও হিজরী সন প্রবর্তন
হযরত মুহাম্মদ সাঃ ইসলাম প্রচার শুরু করার পর থেকেই কুরাইশগণ তাঁর ওপর অমানবিক নির্মম-নির্যাতন চালাতে থাকলে অতিষ্ঠ হয়ে মহান আল্লাহর আদেশে ৬২২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ শে সেপ্টেম্বর ( ১লা হিজরী) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন।
মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার সময় থেকে আরবি ‘হিজরী সন’ প্রবর্তন হয়। পরবর্তীতে যা ইসলামে ক্যালেন্ডার এর শুরুর বছর হিসেবে গণ্য হয়। সেই সময় যেসব ভাগ্যবান মক্কাবাসী ঈমান এনে তাঁকে ভালোবেসে তাঁর সঙ্গে মদিনায় গিয়েছিলেন তাঁদের মুজাহির (শরণার্থী) এবং যাঁরা তাঁদের আশ্রয় দিয়েছিলেন তাঁদের আনসার (সাহায্যকারী) বলা হয়।
মদিনায় হিজরতের পর তিনি সেখানে একটি সমাজ ব্যবস্থা গঠন করেন, যা ন্যায় বিচার, সম্প্রীতি এবং সমতার উপর ভিত্তি করে স্থাপিত। যা শান্তি স্থাপনের একটি প্রাথমিক সংবিধান, এটি ‘মদিনা সনদ’ নামে পরিচিত। অধিকাংশ ইসলামী বিশারদদের মতে, এই সনদের ধারা ছিল ৪৭ টি এবং এটি পৃথিবীর ইতিহাসে সর্ব প্রথম লিখিত সংবিধান।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী মক্কা বিজয়
মক্কা থেকে হিজরতের পর মদিনায় ইসলাম ধর্মের দ্রুত প্রতিষ্ঠা ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর প্রভাব-প্রতিপত্তি বৃদ্ধিতে মক্কার কুরাইশগণ শঙ্কিত ও ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠেন। কিন্তু হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর দূরদর্শিতার কারণে মক্কার ইহুদিদের সঙ্গে তাঁর একটি চুক্তি হয়; এই চুক্তি ‘হুদাইবিয়ার সন্ধি’ নামে পরিচিত। অবশেষে তিনি ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে মক্কা বিজয় করেন এবং সাহাবীদের নিয়ে পবিত্র হজ পালন শুরু করেন।
আরো পড়ুন: বাংলাদেশের সকল বক্তাদের মোবাইল নাম্বার
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর ওফাত
হযরত মুহাম্মদ সাঃ ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের ৮ জুন ( ১১ হিজরী, ১২ই রবিউল আউয়াল) সোমবার ৬৩ বছর ৪ দিন (ইংরেজি/সৌর বছর অনুযায়ী ৬১ বছর ১ মাস) বছর বয়সে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর নবুয়্যতীর সময় কাল ছিল দীর্ঘ ২৩ বছর। তাঁর বাণী (হাদিস) এবং জীবন যাপনের নিদর্শন ইসলাম ধর্মের ভিত্তি হিসেবে আজও মুসলমানদের জীবনে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।
তাঁর জীবনের কাহিনী বিশেষ করে তাঁর ধৈর্য্য, সহনশীলতা, ক্ষমাশীলতা এবং ন্যায়পরায়ণতার জন্য বিশ্বজুড়ে সম্মানিত এবং সমাদৃত। হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা শুধুমাত্র কোন ইতিহাস নয় বরং তিনি সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি পথপ্রদর্শক।
FAQ (কিছু প্রশ্ন ও উত্তর) – মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী (Mohanobi Hazrat Muhammad sm er Jiboni)
প্রশ্ন: মহানবী কত বছর মক্কায় ও মদিনায় মদিনায় ধর্মপ্রচার করেন?
উত্তর: মহানবী সাঃ তাঁর ২৩ বছর নবী জীবনের ১৩ বছর মক্কায় এবং ১০ বছর মদিনায় ইসলামধর্ম প্রচার করেন।
প্রশ্ন: নবীর ছেলে কতজন?
উত্তর: মোহাম্মদ সাঃ এর সন্তানদের মধ্যে ৩ (তিন) জন পুত্র ও ৪ (চার) জন কন্যা। এদের মধ্যে ৩ জন পুত্র ও ৩ জন কন্যা প্রথম স্ত্রী বিবি খাদিজা বিনতে খুওয়ালিদের এর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন। কেবলমাত্র একটি পুত্র সন্তান অন্য স্ত্রী মারিয়া আল কিবতিয়ার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন: মহানবীর কয়জন স্ত্রী ছিল?
উত্তর: মহানবীর সর্বমোট ১৩ জন স্ত্রী ছিল। তাদের মধ্যে প্রথম স্ত্রী খাদিজা বিনতে খুওয়ালিদ এবং সর্বশেষ স্ত্রী হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু। হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর বয়স যখন ৫০ বছর অর্থাৎ ৬১৯ খ্রিস্টাব্দে বিবি খাদিজা রাঃ ইন্তেকাল করলে পরবর্তীতে তিনি বিবাহ গুলো সম্পন্ন করেন।
সর্বশেষ কথা – মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা (Mohanobi Hazrat Muhammad sm er Jiboni)
হযরত মুহাম্মদ সাঃ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নন, যুগে যুগে শত শত অমুসলিম পণ্ডিতরা পর্যন্ত তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিল। তাঁর চারিত্রিক গুণাবলীর উৎকর্ষতার স্বীকৃতি তারা দিয়েছিল এবং আজও দিয়ে চলেছে।
বিখ্যাত খ্রিস্টান পন্ডিত মাইকেল এইচ হার্ট ‘বিশ্বের সেরা ১০০ মনীষীর জীবনী’ রচনা করতে গিয়ে বিশ্বনবী সাঃ কে এক নম্বরে রেখেছেন। তিনি ছিলেন সর্বকালের, সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ মহামানব। মহান আল্লাহ আমাদের তাঁর আদর্শ ধারণ, অনুসরণ, অনুকরণ এবং বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন – আমীন।
আশা করি আজকের মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা লেখাটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছেন। তথ্য বহুল লেখাটি আপনাদের বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি যেন তারাও জানতে পারেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী (Mohanobi Hazrat Muhammad sm er Jiboni) লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধৈর্য্য সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মোহাঃ গোলাম কবির

মোহাঃ গোলাম কবির
বি.এস-সি (অনার্স), এম.এস-সি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।
(বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত নিয়মিত ব্লগ লেখক)




