রিকেটস রোগ কি (Rickets Rog Ki), রিকেটস রোগের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে আপনি কি আগ্রহী? আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা যারা আজকে জানতে চেয়েছেন রিকেটস রোগ কি, রিকেটস রোগের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার সম্পর্কে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি তাদের জন্য।
Table of Contents
কারণ হলো পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি (Vitamin D) না থাকলে হাড় এবং দাঁতের সঠিক ক্যালসিয়াম (Calcium) এবং ফসফরাস (Phosphorus) মাত্রা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে যা রিকেটস রোগের অন্যতম কারণ।
সেজন্য আমাদের আজকের আর্টিকেলে আমরা আপনাদের জানাবো রিকেটস রোগের কারণ লক্ষণ চিকিৎসা ও প্রতিকার। চলুন আর কথা না বাড়িয়ে নিম্নে জেনে নেওয়া যাক,রিকেটস রোগের কারণ লক্ষণ চিকিৎসা ও প্রতিকার।

সাধারণত শিশুদের দীর্ঘকাল ধরে ভিটামিন ডি এর অভাবে রিকেটেস রোগ হয়ে থাকে। ভিটামিন ডি আপনার সন্তানের শরীরে খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস শোষণ করতে সাহায্য করে। রিকেটস শিশুদের মধ্যে দেখা যাওয়া ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত একপ্রকার হাড়ের অসুখ।
রিকেটস রোগ কি, রিকেটস রোগের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার
আজকের গাইডে জানাবো রিকেটস রোগ কি (Rickets Rog Ki), রিকেটস রোগের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং পরামর্শ। রিকেটস রোগের কারণে শিশুদের হার নরম এবং দুর্বল হয়ে যায়। সাধারণত দীর্ঘকাল ধরে ভিটামিন ডি এর অভাবের কারণে এ রোগটি হয়ে থাকে শিশুদের।
যখন দেখবেন রিকেটস আপনার শিশুর ভিটামিন ডি ছাড়া অন্য কারণে হচ্ছে তখন আপনার সন্তানের অতিরিক্ত ওষুধ বা অন্যান্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
রিকেটস রোগ কি (What is Rickets)?
রিকেটস রোগ কি? রিকেটস (Rickets) হলো বাচ্চাদের হাড় নরম এবং দুর্বল হয়ে যাওয়ার একটি বিশেষ রোগ, যা মূলত শরীরে দীর্ঘদিনের ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের অভাবের কারণে হয়ে থাকে।
সাধারণত ৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেছে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের বা বড়দের ক্ষেত্রে হাড় নরম হয়ে যাওয়ার এই রোগটিকে অস্টিওম্যালাসিয়া (Osteomalacia) বলা হয়ে থাকে।
আরো পড়ুন: শিশুর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার (Harmful Pneumonia)
রিকেটস এর ফলে শিশুদের হাড়ের বিকাশ সঠিকভাবে সম্পূর্ণ হয় না যার কারণে হাড়ের ব্যথা অনুভূত হয়, স্বল্পবৃদ্ধি এবং হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায় যার জন্য হাড়ের বিকৃতি দেখা দেয়।
পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি না থাকলে হাড় এবং দাঁতের সঠিক ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের মাত্রা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে যেটা রিকেটস রোগের অন্যতম কারণ।

রিকেটস রোগের কারণ
ক্রিকেটস রোগ কি? – জানার পর এবার আমরা রিকেটস রোগের অন্যতম প্রধান কারণ গুলো সম্পর্কে জেনে নেব। ভিটামিন ডি শিশুদের শরীরের খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম এবং ফসকরা শোষণে সাহায্য করে।
শিশুদের শরীরে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি না থাকলে তবে রিকেটস রোগ হতে পারে। রিকেটস রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ভিটামিন ডি অভাব। বাড়ন্ত শিশুদের হাড় শক্ত এবং মজবুত হওয়ার জন্য এই পুষ্টি উপাদান গুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
চলুন তাহলে রিকেটস রোগের প্রধান কারণ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
| ক্রমিক নং | রিকেটস রোগের প্রধান কারণ | কারণগুলোর বর্ণনা |
|---|---|---|
| ১ | ভিটামিন ডি (Vitamin D) এর অভাব | ভিটামিন ডি শরীরকে খাবার থেকে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস শোষণে সহায়তা করে থাকে। এই ভিটামিনের ঘাটতি মূলত দুটি কারণে হয় – সূর্যালোকের অভাব: মানব দেহের ত্বক সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এলে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। যেসব শিশু ঘরের ভেতরে থাকে এবং পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ত্বকে পায় না তাদের রিকেটস রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি। খাদ্যাভাসে ঘাটতি: দৈনন্দিন খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি না থাকা। |
| ২ | ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের অভাব | মানুষের শরীর যদি প্রাকৃতিক উপায়ে খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস না পায় তাহলে হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত হয় এবং রিকার্স রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ঝুঁকি বাড়ে। যেমন দুধ, ডিম, মাছ ইত্যাদি ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের উৎস। |
| ৩ | পুষ্টি উপাদান শোষণজনিত সমস্যা | দেখা গেছে অনেক সময় শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া সত্ত্বেও তা ছুটির সঠিকভাবে সেগুলো গ্রহণ এবং শোষণ করতে পারে না যার কারণে রিকেটস রোগ হয়ে থাকে। |
| ৪ | বংশগত বা জেনেটিক কারণ | কিছু কিছু শিশুর জন্মগতভাবে রিকেটস রোগ দেখা যায় যাদের কিডনি শরীর থেকে ফসফরাস ধরে রাখতে পারে না কিংবা শরীর ভিটামিন ডি ব্যবহার করতে অক্ষম হয়। |
| ৫ | কিডনি ও লিভার রোগ | ভিটামিন ডি কে শরীরের কাজে লাগানোর উপযোগী করতে আমাদের কিডনি এবং লিভার সুস্থ রাখা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন কিডনি বা লিভার রোগে আক্রান্ত হলে ভিটামিন ডি সক্রিয় করতে পারেনা ফলে রিকেটস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। |
রিকেটস রোগের লক্ষণ
রিকেটস রোগ কি এবং রিকেটস রোগের কারণ সমূহ কি কি ইত্যাদি জানার পর এবার আমরা রিকেটস রোগের লক্ষণসমূহ সম্পর্কে জেনে নেব। আপনার শিশুর শরীরে যখন রিকেটস রোগ দেখা দিবে তখন নানা রকম লক্ষণ দেখা যেতে পারে শিশুর শরীরে। চলুন নিম্নে জেনে নেই এ রোগের লক্ষণগুলো কি কি-
আরো পড়ুন: বাচ্চাদের শ্বাসকষ্ট হলে ঘরোয়া চিকিৎসা (Bacchader Saskosto)
- শিশুদের বৃদ্ধির হার খুবই কম হয়।
- অস্থিসন্ধি সন্ধি দুর্বল হয়ে যায়।
- শিশুর পায়ের হাড় গুলো বেঁকে যায়।
- মাড়ির গঠন গুলো সঠিক হয় না।
- আর ও দাঁত ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়।
- রিকেটের ফলে শিশুদের একটি হাড়ের প্রান্তে ক্রমবর্ধমান কলার অঞ্চলগুলি নরম হয়ে যায়।
- শিশুরা পায়ে ব্যথা অনুভূত করে।
রিকেটস রোগের লক্ষণসমূহ নিচের ছকে তুলে ধরা হলো –
| ক্রমিক নং | রিকেটস রোগের প্রধান লক্ষণ | রিকেটস রোগের প্রধান লক্ষণ গুলোর বর্ণনা |
|---|---|---|
| ১ | হাড়ের বিকৃতি এবং পরিবর্তন | পা বেঁকে যাওয়া: শিশুর হাঁটা শুরু করার পর পা দুটি ধনুকের মতো বাড়ির দিকে বেঁকে যাওয়া বা হাটু দুটি অতিরিক্ত কাছাকাছি চলে আসে। কব্জি ও গোড়ালি চওড়া হওয়া: শিশুর হাতের কব্জি এবং পায়ের গড়ালের হার স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি মোটা বা চওড়া হয়ে যাওয়া। বুকের হাড়ের পরিবর্তন: শিশুর বুকের খাঁচার হাড় কবুতরের বুকের মত সামনের দিকে ঝুলে পড়ে। মাথার খুলি নরম হওয়া: শিশুর মাথার খুলির আর অতিরিক্ত নরম থাকে এবং কপাল স্বাভাবিকের চেয়ে বড় ও চওড়া দেখা যায়। |
| ২ | শারীরিক বৃদ্ধি এবং পেশীর সমস্যা | শারীরিক বৃদ্ধি মন্থর হওয়া: শিশুর স্বাভাবিক উচ্চতা এবং বিকাশ থমকে যায় এবং সমবয়সী শিশুদের চেয়ে উচ্চতা কমে যায়। পেশির দুর্বলতা: শিশুর পেশির শক্তি অনেক কমে যায় এবং ক্লান্ত হয়ে হামাগুড়ি দিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। |
| ৩ | হাড়ের ব্যথা এবং অস্বস্তি | হাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা: হাড় অতিরিক্ত নরম হয়ে যাওয়ার কারণে শিশু মেরুদন্ড, পেলভিস এবং পায়ের হাড়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করে। অস্বস্তি ও কান্না: শিশু ব্যথার কারণে সব সময় খিটখেটে মেজাজ দেখায় এবং চলাফেরায় অস্বস্তি প্রকাশ করে। |
| ৪ | দাঁতের সমস্যা | দাঁত উঠতে দেরি: শিশুর দুধ দাঁত গজাতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে এবং দাঁতের এনামেল দুর্বল হয়ে যায় ক্যাভিটি (গর্ত) দেখা যায়। |
যেসব শিশুরা মায়ের বুকের দুধ পান করে তারা এ রোগে আক্রান্ত বেশি হয়। কারণ মা যদি পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি পান না করে সে ক্ষেত্রে সে মায়ের স্তন পান করা শিশুর মধ্যে এ রোগ দেখা দিতে পারে। এছাড়াও যেসব শিশু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে সেসব শিশুদের রিকেটস রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে।
আবার যেসব শিশুরা সূর্যের আলো বাতাস পায় না তাদের মধ্যে এ রোগ দেখা দিতে পারে। আপনার শিশুর বন্য যদি দিনে দিনে কালো হয়ে উঠতে থাকে তবে এটা ক্রিকেটেস্ট রোগের লক্ষণ। কারণ যখন শিশুর ত্বক কালো বর্ণের হয়ে ওঠে তখন ভিটামিন ডি তৈরি করার জন্য সূর্যের রষ্ণী পর্যাপ্ত পরিমাণে শোষণ করতে পারে না সে ক্ষেত্রে শিশুদের এ রোগের প্রবণতা বেশি হয়।
রিকেটস রোগের চিকিৎসা
ক্রিকেটার আক্রান্ত শিশুদের সাধারণত ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট দিয়ে চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। সেজন্য আপনাকে আপনার সন্তানের ডাক্তারের নির্দেশনাবলি অনুসরণ করতে হবে। ডাক্তার বাবু যে অনুযায়ী ঔষধ খেতে দিবেন সেই অনুযায়ী ঔষধ খাওয়াতে হবে শিশুকে। এবং শিশু যাতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে আপনাকে।
মনে রাখবেন অত্যাধিক ভিটামিন ডি ক্ষতিকারক হতে পারে আপনার শিশুর জন্য সেজন্য ডাক্তার এক্সরে এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার সন্তানের অগ্রগতি নিরীক্ষা করবেন। শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত দুর্বলতা বা ব্যথার মধ্যে বেশিরভাগ উপসর্গ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কমে যায়। ভিটামিন ডি এর ঘাটতিও ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে পূরণ হয়ে যায়।
শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে পুষ্টি জনিত রিকেটস চিকিৎসা কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। আপনার শিশুর শরীরে রিকেটস হয়েছে কিনা সেটা জানার জন্য নিম্নের টেস্টগুলো শিশুর করিয়ে নেবেন-
- এক্স – রে
- প্রস্রাব পরীক্ষা।
- রক্ত পরীক্ষা।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জেনেটিক পরীক্ষা।
- হাড়ের বায়ুপশী খুবই কম করা হয়।
রিকেটস রোগের প্রতিকার
আপনার শিশুর শরীর থেকে যদি রিটাস রোগ প্রতিরোধ করতে চান তবে আপনাকে প্রথমে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণ করতে হবে। আর vitamin ডি এরঘাটতি পূরণ করতে পারে সূর্য রোশনি বা সূর্যের আলো।
সেজন্য আপনার শিশুকে পর্যাপ্ত আলো বাতাস যুক্ত ঘরে রাখার চেষ্টা করুন। বেশিরভাগ ঋতুতে মধ্যাহ্নের কাছাকাছি সময়ের সূর্যের আলোয় ১০ থেকে ১৫ মিনিট উপযুক্ত থাকায় যথেষ্ট তবে আপনার শরিরের বর্ণ যদি কালো হয় কিংবা যদি শীতকাল হয় অথবা আপনি যদি উত্তর অক্ষাংশে থাকেন তাহলে আপনি সূর্যের এক্সপোজার থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি পেতে সক্ষম হবেন।
ক্রিকেট প্রতিরোধ করার জন্য নিশ্চিত করুন যে আপনার শিশু যেন প্রাকৃতিক ভাবে ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খায়। যেমন চর্বিযুক্ত মাছ এবং টুনা মাছের তেল এবং ডিমের কুসুম কড লিভার অয়েল এছাড়া রুটি দুধ কমলার রস ইত্যাদি শিশুকে নিয়মিত খেতে দিন দেখবেন খুব তাড়াতাড়ি রিকেটস রোগের হাত থেকে মুক্তি পাবে।
আরো পড়ুন: কোমর ও পায়ের ব্যথার কারণ ও সারানোর উপায় জেনে নিন
উপসংহার: রিকেটস রোগ কি (Rickets Rog Ki), রিকেটস রোগের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার
পরিশেষে আমি বলতে চাই যে, আপনারা যারা আমাদের আর্টিকেলটি পড়েছেন তারা নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন রিকেটস রোগ কি (Rickets Rog Ki), রিকেটস রোগের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার সম্পর্কে।
আমাদের আজকের আর্টিকেলটি যদি মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে এ রোগ সম্পর্কে জেনে কিছুটা হলেও উপকৃত হতে পারেন। আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে যদি আপনি উপকৃত হন তবে আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থেকে ধৈর্য সহকারে আমাদের রিকেটস রোগ কি (Rickets Rog Ki), রিকেটস রোগের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম আরো পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।
লেখক পরিচিতি:

মোহাঃ গোলাম কবির
বি.এস-সি (অনার্স), এম.এস-সি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।
(বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত নিয়মিত ব্লগ লেখক)


