সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ ফজিলত সম্পর্কে জানতে আপনি কি আগ্রহী? সূরা আল বাকারা ( سورة البقرة ) পবিত্র আল-কোরআনের সর্ববৃহৎ এবং দ্বিতীয় সূরা।
সূরা আল-বাকারার আয়াত সংখ্যা ২৮৬ টি। ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাঃ তাঁর নবী জীবনে মদিনায় অবস্থান কালে এই সূরাটি অবতীর্ণ হয়েছে। সেই হিসেবে সূরা বাকারা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাদানী সূরা।
Table of Contents
মাদানী সূরা আল বাকারা’র শেষ দুই আয়াতে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া। এই সূরার আয়াত দুটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ও ফজিলত পূর্ণ। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত, একটি হাদিসে সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াতকে সূরা ফাতিহার সাথে তুলনা করা হয়েছে। তো চলুন বন্ধুরা, সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ ফজিলত
আজকের গাইডে জানাবো সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (Surah Baqarah Shesh Dui Ayat) বাংলা অর্থ সহ উচ্চারণ ও ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত। সূরা বাকারা পবিত্র আল কোরআনের সর্ববৃহৎ সূরা এবং সর্বপ্রথম সূরা ফাতেহার পরেই এই সূরা পবিত্র কোরআনের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত ২৮৫ ও ২৮৬ নম্বর আয়াত বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ ফজিলত নিচে বর্ণনা করা হলো।
আরো পড়ুন: শ্রেষ্ঠ সাহাবীদের নাম ১০ ও জান্নাতি ২০ সাহাবীর নাম – Best Sahabi
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত আরবি উচ্চারণ – সূরা বাকারা আয়াত: ২৮৫ ও ২৮৬।

সূরা বাকারা আয়াত: ২৮৫
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত ২৮৫ ও ২৪৮৬ নম্বর আয়াত, এর মধ্যে আমরা ২৮৫ নম্বর আয়াতের আরবি উচ্চারণ, বাংলা অর্থ সম্পর্কে জেনে নেব।
আরবি উচ্চারণ: ২৮৫
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ بِاللّهِ وَمَلآئِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ وَقَالُواْ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ
আরবি উচ্চারণ: ২৮৫
আ-মানার রাসূলু বিমা উনঝিলা ইলাইহী মির রাব্বিহী ওয়াল মু’মিনূনা কুল্লুন আ-মানা বিল্লাহি ওয়া মালা- ইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুসুলিহী লা-নূফাররি কুবাইনা আ’হাদিম মির রুছুলিহী ওয়া কা-লূ ছামি’না ওয়া আতা’না গুফরা নাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসীর।
বাংলা অর্থ: ২৮৫
“রাসূল সাঃ বিশ্বাস রাখেন ওই সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থ সমূহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগনের প্রতি।
আরো পড়ুন: Best 1500+ মেয়েদের ইসলামিক নাম সুন্দর অর্থসহ (সব অক্ষরে)
তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করি না। তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে”।
সূরা বাকারা আয়াত: ২৮৬
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের মধ্যে হলো ২৮৫ ও ২৮৬ নম্বর আয়াত। এর মধ্যে আমরা সূরা বাকারার ২৮৫ নম্বর আয়াত উপরের লেখায় বিস্তারিত তুলে ধরেছি। এবার আমরা সূরা বাকারার ২৮৬ নম্বর আয়াতের আরবি উচ্চারণ ও বাংলা অর্থসহ বিস্তারিত জেনে নেব।
আরবি উচ্চারণ: ২৮৬
اَ يُكَلِّفُ اللّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلاَ تُحَمِّلْنَا مَا لاَ طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَآ أَنتَ مَوْلاَنَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
বাংলা উচ্চারণ: ২৮৬
লা-ইউ কালিল ফুল্লা-হু নাফছান ইল্লা উছ আহা-লাহা-মা কাছাবাত ওয়া আলা ইহা মাকতাছাবাত রাব্বানা লা-তুআ খিযনা ইন্না ছিনা আও আখতানা – রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামাল তাহু আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা রাব্বানা ওয়ালা, তুহাম্মিলনা মা-লা তা-কাতা লানা বিহী ওয়াফু আন্না ওয়াগ ফিরলানা-ওয়ারহামনা আনতা মাওলা-না ফানসুর-না আলাল কাওমিল কা-ফিরীন। আমীন
বাংলা অর্থ: ২৮৬
“আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করোনা।
আরো পড়ুন: মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী রচনা জেনে রাখুন 2026
হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের ওপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ। হে আমাদের প্রভু! এবং আমাদের দ্বারা ওই বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই।
আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা করো এবং আমাদের প্রতি দয়া করো। তুমিই আমাদের প্রভু! সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করো।” – আমীন
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (Surah Baqarah Shesh Dui Ayat) বাংলা অর্থসহ ফজিলত
বিভিন্ন হাদিসে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করার বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। এক হাদীসে বলা হয়েছে, সূরা ফাতেহা এবং সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত আল্লাহ সুবহানোতা’য়ালার এমন নূর, যা এর আগে কোন নবীকে দেওয়া হয়নি। (সহীহ মুসলিম: ৮০৬)
এ ব্যাপারে হযরত আবু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু থেকে আরও একটি হাদিস বর্ণিত আছে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
مَنْ قَرَأَ بِالْآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ
বাংলা অর্থ:
যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত পড়বে, তার জন্য এটাই যথেষ্ট হয়ে যাবে। (বুখারী: ৫০০৯)
অর্থাৎ রাতের আমল হিসাবে এবং সকল অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সূরা বাকারার এই আয়াত দুটি পাঠ করাই যথেষ্ট হয়। অবশ্য কেউ কেউ এর ব্যাখ্যায় বলেন; এর অর্থ রাতের নামাজ, কেউ বলেন শয়তান থেকে মুক্তি, কেউ বলেন বিপদ থেকে মুক্তি, আবার কেউ বলেন মানুষ ও জ্বীনের অনিষ্ট থেকে মুক্তি।
ফায়দা হাসিল: দুই আয়াতের যথেষ্ট হওয়ার দুই অর্থ;
(১) এই দুই আয়াত পাঠ কারী সেই রাতে সকল খারাবী হতে নিরাপদ থাকবে।
(২) এই দুই আয়াত তাহাজ্জুদের স্থলে স্থলাভিষিক্ত হয়ে যাবে। (ইমাম নববি)
হযরত নোমান ইবনে বাশির (রাঃ) বলেন,
নবী করিম (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আসমান জমিন সৃষ্টির ২ হাজার বছর আগে (মতান্তরে, ১ হাজার বছর আগে) একটি কিতাব লিখেছেন। সে কিতাব থেকে দুটি আয়াত নাজিল করে তিনি সূরা বাকারা সমাপ্ত করেছেন। যে ঘরে তিন রাত এ দু’টি আয়াত তেলাওয়াত করা হয়; শয়তান ওই ঘরের কাছে আসতে পারে না। (সুনানে তিরমিজি: ২৮৮২)
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন,
একদা জিব্রাইল (আঃ) নবী করীম (সাঃ) এর সামনে বসা ছিলেন। তিনি বিপরীত দিক থেকে একটি আওয়াজ শুনলেন। এরপর মাথা উপর দিকে তুললেন। তারপর বললেন, ‘এইমাত্র আকাশের একটি দরজা খোলা হয়েছে।
আরো পড়ুন: ৮ জন জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহিলা সাহাবীদের নাম জেনে রাখুন 2026
এর আগে কখনো এ দরজাটি খোলা হয়নি। এই দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা অবতরণ করছেন। এর আগে তিনি কখনো পৃথিবীতে অবতরণ করেননি এবং নবীজিকে সালাম দিয়ে বললেন, সুসংবাদ গ্রহণ করুন আপাদমস্তক দুটি নূরের, যা আপনার আগে কোন নবীকে দেওয়া হয়নি।
একটি – সূরা ফাতেহা ও অন্যটি – সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত। যে কেউ তা পাঠ করবে তাকে এর প্রতিদান দেওয়া হবে’। (মুসলিম)
রাতের বেলা এশার নামাজের পর ঘুমানোর পূর্বে সূরা বাকারার এই শেষ দুই আয়াত তেলাওয়াত করলে তাহাজ্জুদ নামাজের সমান সব পাওয়ার আশা করা যেতে পারে।
সূরা আল বাকারার শেষ দুই আয়াত (Surah Baqarah Shesh Dui Ayat) শানে নুযুল
সহীহ মুসলিমে উল্লেখ আছে, সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত রাসূল (সাঃ) কে মেরাজের রাতে সপ্তাকাশে সিদরাতুল মুনতাহায় ৫ (পাঁচ) ওয়াক্ত নামাজের সঙ্গে দান করা হয়েছে।
অন্য এক বর্ণনায় জানা যায়, সেখানে স্বর্ণের খোদিত বিছানা রয়েছে। রাসূলকে তিনটি জিনিস দেয়া হলো আর তা হলো:
(১) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
(২) সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত এবং
(৩) তার উম্মতের মধ্যে (শিরক না করা) গুনাহকারী উম্মতকেও তিনি ক্ষমা করবেন।
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ ফজিলত
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন,
এই আয়াত দুটি নাযিল হওয়ার পর থেকে নবী করিম (সাঃ) এর সাহাবীগণের ওপর কঠিন প্রভাব পড়া শুরু করে। অতঃপর সাহাবীগণ নবীজি (সাঃ) এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তো যতটা সম্ভব আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকি।
নামাজ, রোজা, জিকির, জিহাদ ও সাদকা করে থাকি। এরপরেও আপনার ওপর এই আয়াত নাযিল হলো? তখন নবীজি (সাঃ) উত্তরে বললেন, ‘তোমরা কী সেরকম বলতে চাও? যেরকম তোমাদের পূর্বে আহলে কিতাবগন যেভাবে বলেছে?
তারা বলেছে, আমরা শুনলাম ও অস্বীকার করলাম’। বরং তোমরা বলো, ‘আমরা শুনেছি এবং অনুসরণ করেছি। আমরা তোমার কাছে ক্ষমা চাই। হে আমাদের পালনকর্তা! তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে’।
যখন এ আয়াত পাঠ করা হলো তখন সাহাবীদের মুখমন্ডল লজ্জাবনত হয়ে গেল। এরপর সাহাবীগণ যখন এর ওপর আমল করা শুরু করলো তখন আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করলেন,
‘আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না। সে তাই পায়, যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি তবে আমাদেরকে অপরাধী করোনা।
আল্লাহ বলেন, হ্যাঁ! হে আমাদের প্রভু! এবং আমাদের দ্বারা ওই বোঝা বহন করতে দিও না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আল্লাহ তা’আলা বলেন, হ্যাঁ! আমাদের পাপ মোচন করো!
আমাদেরকে ক্ষমা করো এবং আমাদের প্রতি দয়া করো। তুমি আমাদের প্রভু! কাজেই কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য কর। আল্লাহ বলেন, হ্যাঁ।
আরো পড়ুন: বাংলাদেশের সকল বক্তাদের মোবাইল নাম্বার
FAQ (প্রশ্নোত্তর) – সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (Surah Baqarah Shesh Dui Ayat)
Q1. সূরা বাকারার সবচেয়ে বড় আয়াত কোনটি?
উত্তর: সূরা বাকারার সবচেয়ে বড় বা দীর্ঘতম আয়াত হলো ২৮২ নম্বর আয়াত, যেটা আয়াতুদ্দাইন বা ঋণ সংক্রান্ত আয়াত নামে পরিচিত।
Q2. সূরা বাকারার বা সমগ্র আল কুরআনের সবচেয়ে মর্যাদা পূর্ণ ও ফজিলত পূর্ণ আয়াত কোনটি?
উত্তর: সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত অর্থাৎ আয়াতুল কুরসী হলো সমগ্র আল কুরআনের সবচেয়ে মর্যাদা পূর্ণ এবং ফজিলত পূর্ণ আয়াত।
Q3. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত কখন পড়তে হয়?
উত্তর: সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (সহিহ হাদিস অনুযায়ী) প্রতি রাতের যেকোনো সময় বা বিশেষ করে ঘুমানোর আগে পড়তে হয়।
Q4. সূরা বাকারার শেষ তিনটি আয়াত কি কি?
উত্তর: সূরা আল বাকারার শেষ তিনটি আয়াত হলো পবিত্র আল-কুরআনের ২৮৪, ২৮৫ ও ২৮৬ নম্বর আয়াত। এ আয়াতগুলোকে সমষ্টিগতভাবে আমানার রাসূল নামে অভিহিত করা হয়।
Q5. আয়াতুল কুরসি সূরা বাকারার কত নম্বর আয়াত?
উত্তর: সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত হলো আয়াতুল কুরসি, যা অত্যন্ত মর্যাদাবান ও ফজিলত পূর্ণ আয়াত।
সর্বশেষ কথা – সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (Surah Baqarah Shesh Dui Ayat) বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ ফজিলত
প্রিয় পাঠক আজকের সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ ফজিলত শিরোনামে সূরা আল বাকারার শেষ দুই আয়াত হলো আয়াত সংখ্যা ২৮৫ – ২৮৬। মদিনায় অবতীর্ণ এই সূরাটি আল কোরআনের সর্ববৃহৎ সূরার শেষ দুই আয়াত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ এবং ফজিলতপূর্ণ।
ছোট এই দুটি আয়াত আমাদের ইহকাল এবং পরকালের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ফজিলত পূর্ণ এ দুটি আয়াত আমরা যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে ফেলি এবং চেষ্টা করি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে সূরা বাকারার শেষ এই দুই আয়াত যেন পাঠ করি।
আয়াত দু’টি আমল করার আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে তৌফিক দান করেন – আমিন। আশা করি সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত বাংলা অর্থসহ লেখাটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছেন।
অত্যন্ত ফজিলত পূর্ণ এই লেখাটি শেয়ার করে আপনার বন্ধু-বান্ধবদেরও জানিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করছি। আজকের সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (Surah Baqarah Shesh Dui Ayat) বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ ফজিলত শিরোনামে লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক পরিচিতি:

মোহাঃ গোলাম কবির
বি.এস-সি (অনার্স), এম.এস-সি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।
(বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত নিয়মিত ব্লগ লেখক)




